Requirements not met
Your browser does not meet the minimum requirements of this website. Though you can continue browsing, some features may not be available to you.
Browser unsupported
Please note that our site has been optimized for a modern browser environment. You are using »an unsupported or outdated software«. We recommend that you perform a free upgrade to any of the following alternatives:
Using a browser that does not meet the minimum requirements for this site will likely cause portions of the site not to function properly.
Your browser either has JavaScript turned off or does not support JavaScript.
If you are unsure how to enable JavaScript in your browser, please visit wikiHow's »How to Turn on Javascript in Internet Browsers«.
Language / ভাষা:
আন্তর্জাতিক
জ্বালানি খাতে মিথেন নিঃসরণ রেকর্ডের কাছাকাছি : আইইএ
- Details
ঢাকা, ৪ মে, ২০২৬ (বাসস) : ২০২৫ সালে জ্বালানি খাত থেকে মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ রেকর্ডের কাছাকাছি পর্যায়ে ছিল। সোমবার আন্তর্জাতিক জ্বালানী সংস্থা (আইইএ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই নিঃসরণ কমাতে পারলে আন্তর্জাতিক বাজারে কয়েক বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ায় বিষয়টি এখন শীর্ষ অগ্রাধিকার।
প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
গ্লোবাল মিথেন ট্র্যাকার ২০২৬ প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘জ্বালানি খাতে মিথেন নিঃসরণ রেকর্ডের কাছাকাছি থাকায়, পরীক্ষিত ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বছরে ২০০ বিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস বাজারে সরবরাহ করা সম্ভব।’
এতে আরও বলা হয়, অতিরিক্ত গ্যাস রপ্তানি সক্ষমতা থাকা কিছু দেশ ও আমদানিকারক দেশগুলো যদি তাদের গ্যাস ব্যবস্থায় সহজলভ্য মিথেন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করে, তবে খুব দ্রুত প্রায় ১৫ বিলিয়ন ঘনমিটার (বিসিএম) গ্যাস বাজারে আনা সম্ভব।
দীর্ঘমেয়াদে এ সব পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রতিবছর প্রায় ১০০ বিসিএম গ্যাস সরবরাহ করা যেতে পারে।
পাশাপাশি জরুরি নয়Ñ এমন গ্যাস ফ্লেয়ারিং বন্ধ করলে, আরও ১০০ বিসিএম গ্যাস পাওয়া যেতে পারে।
উপগ্রহ তথ্য ও বিভিন্ন পরিমাপ কার্যক্রমের ভিত্তিতে তৈরি এই প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের নিঃসরণ পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।
একই সঙ্গে সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় নিয়েও বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
মমতার পরাজয় থেকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক: দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস
- Details
ভারতের নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর শক্ত ঘাঁটি ভবানীপুর আসনে অপ্রত্যাশিতভাবে পরাজিত হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী-এর কাছে। দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম নিরাপদ আসন হিসেবে পরিচিত ভবানীপুরে এই ফলাফল রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
শুভেন্দু অধিকারী তাঁর জয়ের পেছনে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক গোষ্ঠীর সমর্থনকে প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরে একে “হিন্দুত্ববাদের জয়” হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মুসলিম ভোট প্রধানত প্রতিদ্বন্দ্বীর পক্ষে গেলেও হিন্দু, শিখ, জৈন ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের সম্মিলিত সমর্থনই তাঁর বিজয় নিশ্চিত করেছে। তিনি এই ফলাফলকে “অরাজক শাসনের বিরুদ্ধে জনরায়” হিসেবেও আখ্যা দেন।
অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ফলাফলকে প্রত্যাখ্যান করে একে “অনৈতিক জয়” বলে অভিহিত করেন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বহু ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল এবং নির্বাচন কমিশন ও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ছিল। তবে প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি রাজনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
এই নির্বাচনী ফলাফল শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর প্রতিধ্বনি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও তীব্র ভাবে অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সৃষ্ট পরিস্থিতির সঙ্গে এই ফলাফলকে অনেকেই তুলনামূলক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করছেন। ঐ সময় গণআন্দোলনের প্রেক্ষিতে ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটে এবং মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, যার প্রধান লক্ষ্য ছিল গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও নির্বাচন আয়োজন। যদিও এখন ধীরে ধীরে উঠে আসছে এ পরিবর্তনের পিছনের প্রধান নীল নকশা, কুট কৌশল ও এক ভূরাজনীতির এক নোংরা খেলা।
পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিপুল বিজয় অর্জন করে সরকার গঠন করে। এই নির্বাচনকে অনেকেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখেন। নতুন সরকার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, বাণিজ্যিক স্বার্থ ও নিরাপত্তা সহযোগিতার প্রশ্নে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দিকে এগোচ্ছে—এমন ইঙ্গিতও বিভিন্ন বিশ্লেষণে পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশে পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনী ফলাফলকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। প্রথমত, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ধর্মীয় মেরুকরণের প্রবণতা বৃদ্ধির একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতির (identity politics) প্রভাব দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমশ বাড়ছে—এমন ধারণাও জোরালো হচ্ছে। তৃতীয়ত, কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক প্রভাব আঞ্চলিক রাজনীতিকে পুনর্গঠিত করছে—এই ব্যাখ্যাও অনেকের মধ্যে রয়েছে।
তবে “ভারতবিরোধী রাজনীতি” প্রসঙ্গে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি। বাংলাদেশে জনমত বা রাজনৈতিক বক্তব্যে ভারতের নীতির সমালোচনা থাকলেও, বাস্তব কূটনীতিতে বাংলাদেশ ও ভারত—দুই দেশের সম্পর্ক মূলত পারস্পরিক স্বার্থ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর নির্ভরশীল হওয়া প্রয়োজন।
সংক্ষেপে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাস একদিকে যেমন গণআন্দোলন, ভূমি সংস্কার ও সামাজিক ন্যায়ের লড়াইয়ের প্রতীক, অন্যদিকে এটি রাজনৈতিক সংঘাত, আদর্শগত বিভাজন ও ক্ষমতার পরিবর্তনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাহিনী। ১৯৭১-এর পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত এই রাজ্য ভারতের রাজনীতিতে একটি স্বতন্ত্র ও প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে আসছে।
পশ্চিম বঙ্গের ও ভবানীপুরের নির্বাচনী ফলাফল কেবল কয়েকটি আসনের পরিবর্তন নয়; এটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে চলমান রূপান্তরের প্রতীক। বাংলাদেশেও এই ফলাফল সরাসরি কোনো একক রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে নয়, বরং ধর্মীয় মেরুকরণ, গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা এবং আঞ্চলিক ভূরাজনীতির জটিল আন্তঃসম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সুদানের হাসপাতালে হামলায় নিহত ৬৪, আহত ৮৯: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
- Details
ঢাকা, ২২ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : সুদানের একটি হাসপাতালে হামলায় ৬৪ জন নিহত ও আরও ৮৯ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন শিশু রয়েছে। শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
খবর, বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ডব্লিউএইচও’র প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস জানান, গত শুক্রবার পূর্ব দারফুরের রাজধানী এল-দাইন শহরের এল-দাইন টিচিং হাসপাতালে এই হামলা চালানো হয়।
তিনি বলেন, ‘যথেষ্ট রক্ত ঝরেছে।’ এসময় প্রায় তিন বছর ধরে চলা এই সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানান তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি জানান, হামলায় নিহতদের মধ্যে ১৩ জন শিশু, দুইজন নারী নার্স, একজন পুরুষ চিকিৎসক এবং একাধিক রোগী রয়েছেন।
সুদানের মানবাধিকার সংস্থা ইমার্জেন্সি লয়ার্স দাবি করেছে, হাসপাতালটিতে সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) পশ্চিম সুদানের বিস্তীর্ণ দারফুর অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করে আছে। অন্যদিকে সেনাবাহিনী পূর্ব, মধ্য ও উত্তরাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে।
টেড্রোস বলেন, হামলায় আটজন স্বাস্থ্যকর্মী আহত হওয়ায় হাসপাতালের শিশু, প্রসূতি ও জরুরি বিভাগের সেবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি জানান, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে হাসপাতালটি এখন অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ফলে অত্যাবশ্যকীয় চিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
ডব্লিউএইচও স্থানীয় স্বাস্থ্য অংশীদারদের সহায়তা দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে অন্যান্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সক্ষমতা বাড়ানো, আহতদের চিকিৎসা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ট্রমা কেয়ারের সরঞ্জাম ও জরুরি ওষুধ সরবরাহ।
আরএসএফ নিয়ন্ত্রিত এল-দাইন শহরটি সুদানের সেনাবাহিনীর নিয়মিত আক্রমণের শিকার হচ্ছে।
সেনাবাহিনী আধাসামরিক বাহিনীকে দারফুরের শক্ত ঘাঁটিগুলো থেকে সরিয়ে সুদানের কেন্দ্রীয় করিডোর থেকে দূরে ঠেলে দিতে চেষ্টা করছে।
চলতি মাসের শুরুতে শহরের একটি বাজারে চালানো সর্বশেষ হামলায় তেলের ব্যারেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, যা ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বলতে থাকে।
স্বাস্থ্যসেবার ওপর হামলা পর্যবেক্ষণে ডব্লিউএইচও’র নজরদারি ব্যবস্থা (এসএসএ) এসব ঘটনা গণনা ও যাচাই করে। তবে এটি কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয় তাই কাউকে দায়ী করে না।
সুদানে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা দপ্তর বলেছে, তারা ‘এই হামলায় স্তম্ভিত’।
জাতিসংঘের বারবার নিন্দা সত্ত্বেও, ২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ জুড়ে হাসপাতালগুলো নিয়মিত হামলার শিকার হচ্ছে।
এই হামলার পর সংঘাত চলাকালে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর ওপর হামলায় নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়িয়েছে।
ডব্লিউএইচও’র এসএসএ তথ্য অনুযায়ী, এ ধরনের ২১৩টি হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৩৬ জন নিহত হয়েছেন।
টেড্রোস বলেন, প্রাণহানির পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার ওপর হামলা তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এতে এমন কমিউনিটিগুলো আরও বিপদে পড়েছে, যারা আগে থেকেই জরুরি ও নিয়মিত চিকিৎসা সেবার সংকটে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবা কখনোই লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়। শান্তিই সর্বোত্তম ঔষধ।’
এসএসএ’র তথ্য অনুযায়ী, সুদানে স্বাস্থ্যসেবার ওপর হামলা প্রতি বছরই বাড়ছে।
২০২৩ সালে ৬৪টি হামলায় ৩৮ জন নিহত হন। ২০২৪ সালে ৭২টি হামলায় ২০০ জন মারা যান।
২০২৫ সালে ৬৫টি হামলায় নিহত হন ১ হাজার ৬২০ জন- যা বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবার ওপর হামলায় মোট মৃত্যুর ৮২ শতাংশ।
ডব্লিউএইচও’র স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতি বিভাগ (এসএসএ) জানায়, শুক্রবারের হামলায় ভারী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এতে হাসপাতাল, কর্মী ও রোগীদের পাশাপাশি চিকিৎসা সরঞ্জাম ও মজুত সামগ্রীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সুদানে প্রায় প্রতিদিন ড্রোন হামলা হচ্ছে। এসব হামলায় একসঙ্গে অনেক মানুষ নিহত হচ্ছেন, বিশেষ করে দক্ষিণ কর্ডোফান অঞ্চলে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক জানান, আট দিনের মধ্যে ড্রোন হামলায় ২০০ জনের বেশি সাধারণ জনগণ নিহত হওয়ায় তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও হতবাক।
তিনি বলেন, সংঘাতে জড়িত পক্ষগুলো জনবহুল এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে বিস্ফোরক বহনকারী শক্তিশালী ড্রোন ব্যবহার করছে।
সারাদেশে এই যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং ১ কোটি ১০ লাখের বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছে।
জাতিসংঘের ভাষায়, এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাস্তুচ্যুতি যা ক্ষুধা সংকটকে আরও তীব্র করেছে। এখানে বর্তমানে ৩ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষের মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।
টেড্রোস বলেন, ‘যথেষ্ট রক্তপাত হয়েছে। দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সুদানে সংঘাতের তীব্রতা কমাতে হবে এবং বেসামরিক নাগরিক, স্বাস্থ্যকর্মী ও মানবাধিকার কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।’
বিচারব্যবস্থা সংস্কার নিয়ে ইতালিতে গণভোট শুরু
- Details
ঢাকা, ২২ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : ইতালিতে বিচারব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়ে দুই দিনব্যাপী গণভোট আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি দাবি করেন, এই সংস্কারের মাধ্যমে বিচারব্যবস্থা আরও স্বাধীন ও কার্যকর হবে। তবে সমালোচকদের মতে, এতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হ্রাস পেতে পারে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
এই গণভোট শুধু সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি আগামী নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী মেলোনির জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্বের জন্য একটি বড় পরীক্ষা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
মেলোনির সরকার বিচারক ও প্রসিকিউটরের কার্যক্রম আলাদা করার পাশাপাশি তাদের নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সংবিধান সংশোধনের পরিকল্পনা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বলেন, এই পরিকল্পনা বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে এবং ইতালির দীর্ঘদিনের জীর্ণ ও অকার্যকর বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা বাড়াতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘এই সংস্কারের ফলে বিচারব্যবস্থা হবে আরও আধুনিক, মেধাভিত্তিক, স্বায়ত্তশাসিত, জবাবদিহিমূলক এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
তবে সমালোচকরা বলছেন, এটি মূলত রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের একটি উদ্যোগ। তাদের মতে, এই সংস্কার দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলার জট ও কারাগারে অতিরিক্ত বন্দির চাপের মতো বাস্তব সমস্যার সমাধান করছে না।
- Additional Resources:
- Additional Resources:
- Agro-Ocean
- Asian News and Views
- Bangabandhu Development and Research Institute
- Bangladesh North American Journalists Network
- Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta (BHESA)
- Coastal 19
- Delwar Jahid's Biography
- Diverse Edmonton
- Dr. Anwar Zahid
- Edmonton Oaths
- Mahinur Jahid Memorial Foundation (MJMF)
- Motherlanguage Day in Canada
- Samajkantha News
- Step to Humanity Bangladesh






