Requirements not met
Your browser does not meet the minimum requirements of this website. Though you can continue browsing, some features may not be available to you.
Browser unsupported
Please note that our site has been optimized for a modern browser environment. You are using »an unsupported or outdated software«. We recommend that you perform a free upgrade to any of the following alternatives:
Using a browser that does not meet the minimum requirements for this site will likely cause portions of the site not to function properly.
Your browser either has JavaScript turned off or does not support JavaScript.
If you are unsure how to enable JavaScript in your browser, please visit wikiHow's »How to Turn on Javascript in Internet Browsers«.
Language / ভাষা:
সম্পাদকীয়
পরিকল্পিত নকশা: বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার স্তম্ভে আগুনের লেলিহান শিখা
- Details
দেলোয়ার জাহিদ:
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সরকার পরিবর্তন নতুন কিছু নয়। বিক্ষোভ, আন্দোলন কিংবা দাবি আদায়ের সংগ্রামও এই ভূখণ্ডে অচেনা নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে যে প্রবণতাটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, তা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। এটি কোনো নির্বাচিত সরকারকে সরাসরি সামরিক অভ্যুত্থান বা প্রকাশ্য শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে অপসারণের প্রচেষ্টা নয়; বরং আইন, প্রতিষ্ঠান ও বর্ণনার (narrative) মাধ্যমে ধাপে ধাপে অকার্যকর করে তোলার একটি সুপরিকল্পিত নকশা। এই নকশার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আজ বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা—দুটি মৌলিক স্তম্ভ—এক ভয়াবহ সংকটের মধ্যে পড়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ এ বাস্তবতাকেই আরও নির্মমভাবে সামনে এনে দিয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাজধানীতে বিক্ষোভ, শাহবাগ মোড় অবরোধ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা—এসবের মধ্যেই ঢাকার কারওয়ান বাজারে দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান কার্যালয় এবং ফার্মগেটে অবস্থিত ডেইলি স্টার-এর প্রধান কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় বহু সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকিতে পড়েন (ইত্তেফাক, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫)। প্রতিটি মৃত্যুই বেদনাদায়ক। প্রতিটি স্বজনহারা পরিবারের শোক আমাদেরও ছুঁয়ে যায়—কারণ আমরা সবাই কোনো না কোনোভাবে স্বজনহারার বেদনা বহন করি। কিন্তু সেই বেদনা কি সংবাদমাধ্যমের ওপর আক্রমণকে ন্যায্যতা দিতে পারে? এই প্রশ্নটি আজ জাতির সামনে দাঁড়িয়ে। এদিকে দেশ যেন এক মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে। খুলনার ডুমুরিয়ায় সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে; তিনি শলুয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন (যুগান্তর, ১৯ ডিসেম্বর)। একই সময়ে সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ড্রোন হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে ফেরার প্রস্তুতি চলছে। তারা রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে বিশ্বশান্তির জন্য জীবন দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহলে তাদের প্রতি গভীর সম্মান জানানো হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে ২০ ডিসেম্বরকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণার প্রশ্ন ওঠা অমূলক নয়। এই সব ঘটনাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এগুলো একটি বড় রাজনৈতিক বাস্তবতার অংশ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যাকে “মেটিকুলাস ডিজাইন” বলা হচ্ছে, তা কি শেষ পর্যন্ত “নির্বাচিত সরকার উৎখাতের সুপরিকল্পিত নকশা”কেই নির্দেশ করে না? এই প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকারকে অবৈধ বা অকার্যকর প্রমাণের চেষ্টা করা হয়; আদালত, প্রশাসন, নির্বাচন ব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কেন্দ্রে টেনে আনা হয়; সাংবিধানিক সীমার ভেতরে থাকার ভান করা হলেও বাস্তবে সংবিধানের মূল চেতনাকেই দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। রাজনৈতিক তত্ত্বে একে বলা হয় গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ (Democratic Backsliding)। এই প্রক্রিয়ার ফলে বাংলাদেশ আজ প্রতিষ্ঠানগত ক্ষয় ও তথাকথিত **“হাইব্রিড শাসনব্যবস্থা”**র ঝুঁকির মুখে। বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসনিক কাঠামো এবং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান—সবই রাজনৈতিক আস্থার সংকটে ভুগছে। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো, যে বাংলাদেশ পুলিশ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলে ইতিহাস রচনা করেছিল, সেই বাহিনীর নৈতিক মনোবল আজ ভেঙে পড়েছে। রাজারবাগের প্রতিরোধ ছিল শুধু সামরিক নয়—নৈতিক ও প্রতীকী অর্থেও ছিল অসীম তাৎপর্যপূর্ণ। তা প্রমাণ করেছিল, বাঙালি জাতি নিপীড়নের কাছে মাথা নত করে না। দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় পুলিশ সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের বিচার চাওয়া কি কোনো অপরাধ? এই প্রশ্ন তোলাই কি প্রথম আলো বা ডেইলি স্টার-এর অপরাধ? ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঘোষিত নির্বাচনকেও অনেকে এই সুপরিকল্পিত নকশার অংশ বলে সন্দেহ করছেন। অভিযোগ উঠছে—নিরপেক্ষ রেফারি হওয়ার বদলে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক প্রকৌশলের অংশে পরিণত হয়েছে। এর ফল দাঁড়াতে পারে এমন এক বাস্তবতায়, যেখানে নির্বাচন থাকবে, সংসদ থাকবে—কিন্তু ক্ষমতার প্রকৃত উৎস নির্বাচনের বাইরে নির্ধারিত হবে। বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাই এই প্রক্রিয়ার প্রথম ও প্রধান শিকার। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, রিমান্ডে নিয়ে নিপীড়ন, ডিজিটাল ও নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার, ভিন্নমতকে রাষ্ট্রবিরোধী আখ্যা দেওয়া—এসব নতুন কিছু নয়, কিন্তু এখন তা এক ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। ফলে সারাদেশে একটি ভয়ভিত্তিক নীরবতা—climate of fear—গড়ে উঠেছে, যেখানে গণতান্ত্রিক আলোচনা ও মতবিনিময়ের পরিসর ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে। এই আগুন যদি এখনই নেভানো না যায়, তবে শুধু একটি সরকার নয়—পুড়ে যাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, গণমাধ্যম এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বাধীন কণ্ঠ।
মুজিবনগরকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
- Details
ঢাকা, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ (বাসস) : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আগামী বছর ১৭ এপ্রিলের পূর্বেই মুজিবনগরকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু করা হবে।
আজ মেহেরপুরে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মোজাম্মেল হক বলেন, মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের ধারাবাহিকতায় আজকের এই সরকার। মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের স্মৃতিকে অম্লান করে রাখার জন্য মুজিবনগরকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এথেন্স সম্মেলনে দায়িত্বশীল ও টেকসই সমুদ্র ব্যবস্থাপনায় সম্মিলিত প্রয়াসের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
- Details
ঢাকা, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ (বাসস) : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে অনুষ্ঠানরত নবম ওশান কনফারেন্সে দায়িত্বশীল ও টেকসই সমুদ্র ব্যবস্থাপনায় সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের আহ্বান জানিয়েছেন।
১৫ এপ্রিল শুরু হওয়া এ সম্মেলনের সমাপনী দিন বুধবার স্থানীয় সময় সকালে সমুদ্রের টেকসই ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত থিম ভিত্তিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের উচ্চ পর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় মন্ত্রী এ আহবান জানান।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন হবে তাঁর প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন : অর্থমন্ত্রী
- Details
সিলেট, ১৫ আগস্ট ২০১৫ (বাসস) : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন ও তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার মাধ্যমেই আমরা তাঁর প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও সন্মান জানাতে পারি।
মন্ত্রী আজ দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নগরীর রিকাবী বাজারস্থ কবি নজরুল মিলনায়তনে শোকদিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন টুকরো স্মৃতি আলোচনায় তুলে আনেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সারাজীবন একটি ক্ষুধা, দারিদ্র মুক্ত অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখে গেছেন। তিনি ছিলেন বাংলার মানুষের বন্ধু ও অত্যন্ত আপনজন। তাই সারাটি জীবন নিজেকে মানুষের কল্যাণে নিবেদিত রেখেছিলেন।
তিনি বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ও সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে শোক সভায় বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী কয়েস, আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
সকাল দশটায় জেলা প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নগরীতে শোক র্যালি বের হয়। র্যালিতে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে র্যালিটি নগরীরর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
র্যালি শেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
এদিন, জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে নগরীর বেশ কয়েকটি স্থানে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, বিনামূল্যে চক্ষুশিবিরসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়।
- Additional Resources:
- Additional Resources:
- Agro-Ocean
- Asian News and Views
- Bangabandhu Development and Research Institute
- Bangladesh North American Journalists Network
- Bangladesh Heritage and Ethnic Society of Alberta (BHESA)
- Coastal 19
- Delwar Jahid's Biography
- Diverse Edmonton
- Dr. Anwar Zahid
- Edmonton Oaths
- Mahinur Jahid Memorial Foundation (MJMF)
- Motherlanguage Day in Canada
- Samajkantha News
- Step to Humanity Bangladesh






